Header Ads Widget

Responsive Advertisement

PM Kisan Yojana-র ২৩তম কিস্তি নিয়ে বড় আপডেট, এই কৃষকেরা নাও পেতে পারেন ২০০০ টাকা

PM Kisan Yojana নিয়ে বড় আপডেট! এই কৃষকেরা নাও পেতে পারেন ২৩তম কিস্তির ২০০০ টাকা

Published By: NewsLinkBangla | Business | Last Updated: May 21, 2026 | 12:30 AM IST

PM Kisan Yojana 23rd Installment Update

নয়াদিল্লি: দেশের কোটি কোটি কৃষকের জন্য বড় আপডেট সামনে এল প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি যোজনা বা PM-Kisan প্রকল্প নিয়ে। বহু কৃষক এখন ২৩তম কিস্তির টাকার অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে এবার কেন্দ্র সরকারের তরফে স্পষ্ট ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ না করলে অনেক কৃষকই ২০০০ টাকার পরবর্তী কিস্তি নাও পেতে পারেন।

বর্তমানে PM-Kisan প্রকল্পের অধীনে যোগ্য কৃষকদের বছরে মোট ৬০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এই টাকা তিনটি সমান কিস্তিতে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয় DBT বা Direct Benefit Transfer পদ্ধতিতে। 

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৩তম কিস্তির টাকা পাওয়ার জন্য এবার e-KYC, আধার লিঙ্কিং এবং জমির তথ্য যাচাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই প্রক্রিয়াগুলি সম্পূর্ণ না হলে অনেক কৃষকের টাকা আটকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

কারা নাও পেতে পারেন ২৩তম কিস্তির টাকা?

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে কয়েকটি বড় কারণে PM-Kisan প্রকল্পের টাকা আটকে যেতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল e-KYC। কেন্দ্র সরকার ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করেছে, যাঁদের e-KYC সম্পূর্ণ নয়, তাঁদের অ্যাকাউন্টে পরবর্তী কিস্তির টাকা পৌঁছতে সমস্যা হতে পারে। 

এছাড়াও যেসব কৃষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আধারের সঙ্গে লিঙ্ক করা নেই অথবা DBT সক্রিয় নয়, তাঁদের ক্ষেত্রেও টাকা আটকে যেতে পারে।

অনেক সময় ভুল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর, IFSC Code সমস্যা বা নামের বানানে ভুল থাকলেও টাকা ট্রান্সফারে সমস্যা হয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জমির রেকর্ড যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হলেও সুবিধা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। 

কেন e-KYC এত গুরুত্বপূর্ণ?

বর্তমানে PM-Kisan প্রকল্পে ভুয়ো উপভোক্তা রুখতে e-KYC বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত উপভোক্তার পরিচয় যাচাই করা হয়। ফলে সরকার নিশ্চিত হতে পারে যে প্রকল্পের টাকা সঠিক কৃষকের কাছেই পৌঁছচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনও বহু কৃষক e-KYC সম্পূর্ণ করেননি। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় অনেকেই এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে পুরোপুরি জানেন না।

ফলে পরবর্তী কিস্তির টাকা আটকে যাওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যাচ্ছে।

কৃষকদের দ্রুত PM-Kisan-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে e-KYC সম্পূর্ণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

কীভাবে চেক করবেন স্ট্যাটাস?

অনেক কৃষকই জানেন না তাঁদের PM-Kisan স্ট্যাটাস ঠিক আছে কি না। বর্তমানে সরকার অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক করার সুবিধা দিয়েছে।

PM-Kisan-এর অফিসিয়াল পোর্টালে গিয়ে Registration Number অথবা মোবাইল নম্বর দিয়ে Beneficiary Status চেক করা যায়। সেখানে Payment Status, Bank Details এবং e-KYC সম্পর্কিত তথ্য দেখা সম্ভব। 

যদি সেখানে কোনও Error Message দেখা যায়, তাহলে দ্রুত সংশোধনের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

অনেক ক্ষেত্রেই নামের বানান, আধার নম্বর বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তথ্য আপডেট করলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টাকা আটকে যাওয়ার পর অপেক্ষা না করে আগেই স্ট্যাটাস চেক করে নেওয়া ভালো।

কবে আসতে পারে ২৩তম কিস্তি?

যদিও কেন্দ্র সরকার এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩তম কিস্তির তারিখ ঘোষণা করেনি, তবে বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী জুন-জুলাই মাসের মধ্যে এই কিস্তির টাকা কৃষকদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছতে পারে। 

এর আগে ২২তম কিস্তির মাধ্যমে কোটি কোটি কৃষকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হয়েছিল।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, PM-Kisan প্রকল্পের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই দেশের কোটি কোটি কৃষক উপকৃত হয়েছেন। 

বর্তমানে প্রকল্পের সমস্ত পেমেন্ট সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হয়।

এই কারণেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, আধার এবং মোবাইল নম্বর আপডেট থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

PM-Kisan প্রকল্প কী?

প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি যোজনা বা PM-Kisan হল কেন্দ্র সরকারের একটি বড় কৃষক সহায়তা প্রকল্প।

২০১৯ সালে চালু হওয়া এই প্রকল্পের মাধ্যমে যোগ্য কৃষক পরিবারগুলিকে বছরে ৬০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

এই টাকা বছরে তিনবার ২০০০ টাকা করে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয় DBT পদ্ধতিতে। 

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য কৃষকদের আর্থিকভাবে সহায়তা করা এবং কৃষিকাজের খরচ সামলাতে সাহায্য করা।

বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ Direct Benefit Transfer প্রকল্প হিসেবে পরিচিত।

বিশেষজ্ঞদের কী পরামর্শ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁরা এখনও e-KYC করেননি, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা উচিত।

একইসঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য, আধার নম্বর এবং জমির রেকর্ড ঠিক আছে কি না, সেটাও যাচাই করা জরুরি।

অনেক সময় ছোট ভুলের কারণেও টাকা আটকে যায়। তাই আগেই সমস্ত তথ্য মিলিয়ে নেওয়া উচিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সরকারি পোর্টাল ছাড়া অন্য কোনও ওয়েবসাইটে ব্যক্তিগত তথ্য না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

সাইবার প্রতারণার ঝুঁকি এড়াতে শুধুমাত্র অফিসিয়াল PM-Kisan ওয়েবসাইট ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষকদের।

About the Author

NewsLinkBangla Business Desk
কৃষি, সরকারি প্রকল্প, ব্যাঙ্কিং, ব্যক্তিগত অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক বিষয় নিয়ে নির্ভরযোগ্য ও বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন প্রকাশ করে নিউজলিংক বাংলার বিজনেস টিম।

Tags: #PMKisan #PMKisanYojana #Farmers #Agriculture #GovernmentScheme #KisanSammanNidhi #BusinessNews #India #NewsLinkBangla #PMKisan23rdInstallment